বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, চর্যাপদ


চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে প্রাচীনতম নিদর্শন। একে চর্যাগীতিকোষ বা, চর্যাচর্যবিনিশ্চয় নামেও ডাকা হয়। বৌদ্ধ সহজিয়ারা সাধনভজনের সাথে সম্পর্কিত বিষয়গুলো প্রকাশের জন্যই মূলত এই পদগুলো রচনা করেন।

এর রচয়িতাদের নামের শেষে পা বা, পাদ দেখে অনেকে বিশ্মিত হন এবং কেউ কেউ রসাত্মবোধক উপাদান খুঁজে পান। যারা পদ রচনা করতেন ঐ সময়ে তাদের নামের শেষে পাদ লেখা হত,  সেখান থেকেই পা শব্দটি এসেছে। যেমনঃ কাহ্নপা, ভূষুকুপা ইত্যাদি।

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ২৩ জন রচয়িতার নাম তাঁর একটি বইয়ে উল্লেখ করেছেন। ওদিকে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ২৪ জন পাদের নাম উল্লেখ করেছেন তাঁর লেখা বইতে। রাহুল সাংকৃত্যায়ন নামক আধুনিক যুগের একজন বৌদ্ধ পণ্ডিত, বহুভাষাবিদ যিনি “ভোলগা থেকে গঙ্গা” বইয়ের রচয়িতা তিনি নেপালের তিব্বতে আরো কিছু কবির লেখা খুঁজে পেয়েছেন। 

সাড়ে ছেচল্লিশটি প্রাপ্ত পদের ভিতরে ১৩ টি রচনা করে কাহ্নপাদ সবচেয়ে বেশীসংখ্যক পদ রচয়িতা হিসেবে স্বীকৃত। কুক্কুরিপা একমাত্র মহিলা কবি কি না সেটা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও ঢেগুণপার একটিমাত্র অসামান্য পদে এদেশের দরিদ্র মানুষের জীবনচিত্র চিত্রণ সন্দেহাতীত। 

প্রথম পদের রচয়িতা লুইপা থেকে শুরু করে সবার লেখাই বেশ আকর্ষণীয়, পড়ে দেখতে পারেন। আমার মনে হয় ভালই লাগবে।

http://adhitzads.com/843469

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s