বর্ণান্ধতা, এক প্রকার শারিরিক অক্ষমতা


আমি আগে একসময় জানতামই না বর্ণান্ধতা বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব আছে। আমার প্রিয় লেখক সত্যজিৎ রায়ের একটা লেখায় এটা প্রথম দেখেছিলাম। কোন লেখাটা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না, সম্ভবত গল্প ১০১ বইয়ের কোন একটা গল্পে।


Color Blind কারা?

বাংলা বর্ণান্ধের ইংরেজী প্রতিশব্দ Color Blind, যারা সবসময় একাধিক রঙের পার্থক্য বুঝতে পারে না তারাই বর্ণান্ধ। এটা জন্ম থেকেই হতে পারে আবার অনেক পরেও হতে পারে। হলুদ-নীল, লাল-সবুজ ছাড়াও এরকম আরো অনেক হালকা রঙের পার্থক্য ধরতে না পারা অনেকের কথা আমরা জানিই না যে তার এই সমস্যা আছে। হতে পারে আমি নিজেই বর্ণান্ধ, কিন্তু বুঝতে পারছি না যে হালকা কোন দুটি রঙ আমি আলাদা করতে পারছি না।

ছেলেদের সম্ভাবনা বেশী

হ্যাঁ, ছেলেদের বর্ণান্ধ হওয়ার সম্ভাবনা মেয়েদের তুলনায় অনেক বেশী। মা বর্ণান্ধ হলে তার ছেলে বর্ণান্ধ হবে। কিন্তু মা-বাবা দুজনেই বর্ণান্ধ হলেই শুধু তাদের মেয়েও বর্ণান্ধ হবে। এটা চোখের কোন রোগ থাকলে কিংবা বার্ধক্যের কারণে হতে পারে। তবে, ছেলেদেরই বেশী দেখা যায়। 

মনে করুন আপনি লাল আর সবুজের পার্থক্য বুঝতে পারেন না। কোথাও কেটে গিয়ে রক্ত বের হচ্ছে আর আপনার মনে হচ্ছে সবুজ কিছু একটা বের হচ্ছে আপনার শরীর থেকে। রক্তের রঙ সবুজ-এই ধারণা নিয়ে আপনাকে সারা জীবন কাটিয়ে দিতে হবে। 

কম বয়সে বর্ণান্ধতা ধরা পড়লে নিরাময় সম্ভব। জাপানীরা বাচ্চাদের প্রাথমিক শিক্ষা দেয়ার সময় Color Blindness পরীক্ষা করে নেয়। আমাদের দেশেও এরকম উদ্যোগ নেয়া হলে সেটা নিঃসন্দেহে একটা ভাল ফলাফল বয়ে আনবে।

http://adhitzads.com/843469

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s